-আপনার কেমন মেয়ে পছন্দ? -আর যাই হোক বড় বড় নখ রাখা আর বিড়ালপ্রেমি মেয়ে আমার একদমই পছন্দ না। -এদের অপছন্দের কারনটা কি জানা যাবে? -কেন নয়।...
-আপনার কেমন মেয়ে পছন্দ?
-আর যাই হোক বড় বড় নখ রাখা আর বিড়ালপ্রেমি মেয়ে আমার একদমই পছন্দ না।
-এদের অপছন্দের কারনটা কি জানা যাবে?
-কেন নয়।বিড়ালে আমার ভয় লাগে।কখন খামচি দিয়ে দেয় বলা যায় না।তাছাড়া তারা স্বামী রেখে বিড়ালকেই বেশি ভালবাসে।
-যদি বিড়ালের নখ কেটে দেওয়া হয়।
-দাত ও কি কেটে দিতে পারবেন?
-আচ্ছা,এবার পরেরটা বলুন।মেয়েদের বড় বড় নখে কি সমস্যা?
-এদের আর বিড়ালের মাঝে কোন পার্থক্য দেখতে পাই না। অন্তত নিজের সেফটির জন্যে হলেও এসব মেয়ে এড়িয়ে চলা ভাল।
-তারপর,আপনার কেমন মেয়ে পছন্দ?
-যে মেয়ে বিরিয়ানী রাখতে পারে।
-শুধু বিরিয়ানি?
-এটার সাথে অন্য যে কোন কিছু হলেই চলবে।
-আর কেমন মেয়ে পছন্দ?
-গালে তিলওয়ালা মেয়ে অপছন্দ।
-সবার তো এরকম মেয়েই পছন্দ।আপনার অপছন্দ হওয়ার কারন কি?
-আমার কাছে ভাল লাগে না,কেমন যেন সৌন্দর্য বাড়াতে গিয়ে নষ্ট করে ফেলার মত।
-আচ্ছা পছন্দের কথা তো বলবেন?
-হ্যা,তবে সুপ্তি নামের মেয়েগুলা আমার অপছন্দ।
-এই নামে আবার কি সমস্যা?
-সুপ্তি নামে গল্প লিখি বলে সবাই ভাবে এটাই আমার গার্লফ্রেন্ড।তাই কেও কাছে আসার চেষ্টাও করে না।আবার যেগুলা আসে তারা এই নামের কারনে ব্রেকআপ করে ফেলে।
-তো আপনি বলতে চাচ্ছেন এই নামের কেও নেই?
-উহু,এই নামের অনেকে আছে,কিন্তু এই নামে আমার কেও নেই।যেটা আছে সেটা কাল্পনিক চরিত্র ছাড়া আর কিছু নয়।
-তারপর?
-বেশি কথা বলা আর অল্পতেই রেগে যাওয়া বদমেজাজি মেয়ে আমার পছন্দ না।
-আপনি শুধু অপছন্দের কথাগুলাই বলে যাচ্ছেন,পছন্দের গুলা বলছেন না।
-অপছন্দের মাঝেই পছন্দ গুলা লুকিয়ে আছে।
-আচ্ছা আবার বলছি,আপনার কেমন মেয়ে পছন্দ?
-ভাবওয়ালী ইগো দেখানো মেয়ে আমার অপছন্দ। এরা যে কোন সময় যে কোন কারও যে কোন কিছু করে দিতে পারে।তাই যত এদের থেকে যত দূরে থাকা যায় ততই মঙ্গল।
-আচ্ছা,আমিই প্রশ্নটা চেঞ্জ করছি,আপনার কেমন মেয়ে অপছন্দ?
-পায়ে নুপুর বা পায়েল পড়া মেয়ে আমার বেশ পছন্দ।
-যখন পছন্দের কথা জিজ্ঞেস করলাম তখন অপছন্দের সবকিছু বললেন আর এখন অপছন্দের কথা জিজ্ঞেস করায় পছন্দের কথা বলছেন।
-আমার এটাই পছন্দ।তবে বড় বড় চুলওয়ালী মেয়ে আমার বেশ পছন্দ।
-আর কিছু?
-স্বামী ভক্ত মেয়ে গুলাকে আমার আরও বেশি পছন্দ।এদের মাঝে ঝগড়া খুব কম হয়।
-ঝগড়া না হলে ভালবাসা বাড়ে না।
-অতিরিক্ত ঝগড়া ভালবাসাটা নষ্ট করে দেয়।আচ্ছা আপনার কেমন ছেলে পছন্দ?
-যে ছেলে বিড়াল পছন্দ করে না।তাই তার সাথে বিয়ে হলে আমার বিড়ালটা আর সাথে নিচ্ছি না।
-আর?
-যে ছেলে বিরিয়ানি পছন্দ করে।অবশ্য খুব একটা ভাল রাধতে পারি না,তবে শিখে নেবো।
-আচ্ছা,আপনার কেমন ছেলে অপছন্দ?
-যে বউকে সময় দেয় না।
-আমার হাতে প্রচুর সময়।
-কেন,বিয়ের পর চাকরি ছেড়ে দেবেন নাকি?
-উহু,ওই সময়টুকু ছাড়া বাকি সময়টুকু বউকে দেবো।
-কিন্তু আমি যে কথা বেশি বলি।
-কম বললে সবাই ভাববে মেয়ে বোবা,কথা বলতে পারে না।
-আমার যে চুল অতটা বড় নয়।
-সবকিছুতে পারফেক্ট খোজা বোকামি।চুল ছোট হলেও মনটা বেশ বড়।
-কিন্তু আমি যে অল্পতেই রেগে যাই।
-রাগ ভাঙাতে আমার বেশ লাগে।
-আয়ান নামটা আমার বেশ পছন্দের।
-আমাদের ছেলে হলে আয়ান নামটাই রাখবো।
-বিয়ে কি হয়ে গেছে?
-হবে,কেন হবে না?
-সামনের শুক্রবার অনেক দেরি হয়ে গেলো না।
-মাত্র দু দিন।
-কাল, পরশু হলে মন্দ হতো না।
-আর যাই হোক বড় বড় নখ রাখা আর বিড়ালপ্রেমি মেয়ে আমার একদমই পছন্দ না।
-এদের অপছন্দের কারনটা কি জানা যাবে?
-কেন নয়।বিড়ালে আমার ভয় লাগে।কখন খামচি দিয়ে দেয় বলা যায় না।তাছাড়া তারা স্বামী রেখে বিড়ালকেই বেশি ভালবাসে।
-যদি বিড়ালের নখ কেটে দেওয়া হয়।
-দাত ও কি কেটে দিতে পারবেন?
-আচ্ছা,এবার পরেরটা বলুন।মেয়েদের বড় বড় নখে কি সমস্যা?
-এদের আর বিড়ালের মাঝে কোন পার্থক্য দেখতে পাই না। অন্তত নিজের সেফটির জন্যে হলেও এসব মেয়ে এড়িয়ে চলা ভাল।
-তারপর,আপনার কেমন মেয়ে পছন্দ?
-যে মেয়ে বিরিয়ানী রাখতে পারে।
-শুধু বিরিয়ানি?
-এটার সাথে অন্য যে কোন কিছু হলেই চলবে।
-আর কেমন মেয়ে পছন্দ?
-গালে তিলওয়ালা মেয়ে অপছন্দ।
-সবার তো এরকম মেয়েই পছন্দ।আপনার অপছন্দ হওয়ার কারন কি?
-আমার কাছে ভাল লাগে না,কেমন যেন সৌন্দর্য বাড়াতে গিয়ে নষ্ট করে ফেলার মত।
-আচ্ছা পছন্দের কথা তো বলবেন?
-হ্যা,তবে সুপ্তি নামের মেয়েগুলা আমার অপছন্দ।
-এই নামে আবার কি সমস্যা?
-সুপ্তি নামে গল্প লিখি বলে সবাই ভাবে এটাই আমার গার্লফ্রেন্ড।তাই কেও কাছে আসার চেষ্টাও করে না।আবার যেগুলা আসে তারা এই নামের কারনে ব্রেকআপ করে ফেলে।
-তো আপনি বলতে চাচ্ছেন এই নামের কেও নেই?
-উহু,এই নামের অনেকে আছে,কিন্তু এই নামে আমার কেও নেই।যেটা আছে সেটা কাল্পনিক চরিত্র ছাড়া আর কিছু নয়।
-তারপর?
-বেশি কথা বলা আর অল্পতেই রেগে যাওয়া বদমেজাজি মেয়ে আমার পছন্দ না।
-আপনি শুধু অপছন্দের কথাগুলাই বলে যাচ্ছেন,পছন্দের গুলা বলছেন না।
-অপছন্দের মাঝেই পছন্দ গুলা লুকিয়ে আছে।
-আচ্ছা আবার বলছি,আপনার কেমন মেয়ে পছন্দ?
-ভাবওয়ালী ইগো দেখানো মেয়ে আমার অপছন্দ। এরা যে কোন সময় যে কোন কারও যে কোন কিছু করে দিতে পারে।তাই যত এদের থেকে যত দূরে থাকা যায় ততই মঙ্গল।
-আচ্ছা,আমিই প্রশ্নটা চেঞ্জ করছি,আপনার কেমন মেয়ে অপছন্দ?
-পায়ে নুপুর বা পায়েল পড়া মেয়ে আমার বেশ পছন্দ।
-যখন পছন্দের কথা জিজ্ঞেস করলাম তখন অপছন্দের সবকিছু বললেন আর এখন অপছন্দের কথা জিজ্ঞেস করায় পছন্দের কথা বলছেন।
-আমার এটাই পছন্দ।তবে বড় বড় চুলওয়ালী মেয়ে আমার বেশ পছন্দ।
-আর কিছু?
-স্বামী ভক্ত মেয়ে গুলাকে আমার আরও বেশি পছন্দ।এদের মাঝে ঝগড়া খুব কম হয়।
-ঝগড়া না হলে ভালবাসা বাড়ে না।
-অতিরিক্ত ঝগড়া ভালবাসাটা নষ্ট করে দেয়।আচ্ছা আপনার কেমন ছেলে পছন্দ?
-যে ছেলে বিড়াল পছন্দ করে না।তাই তার সাথে বিয়ে হলে আমার বিড়ালটা আর সাথে নিচ্ছি না।
-আর?
-যে ছেলে বিরিয়ানি পছন্দ করে।অবশ্য খুব একটা ভাল রাধতে পারি না,তবে শিখে নেবো।
-আচ্ছা,আপনার কেমন ছেলে অপছন্দ?
-যে বউকে সময় দেয় না।
-আমার হাতে প্রচুর সময়।
-কেন,বিয়ের পর চাকরি ছেড়ে দেবেন নাকি?
-উহু,ওই সময়টুকু ছাড়া বাকি সময়টুকু বউকে দেবো।
-কিন্তু আমি যে কথা বেশি বলি।
-কম বললে সবাই ভাববে মেয়ে বোবা,কথা বলতে পারে না।
-আমার যে চুল অতটা বড় নয়।
-সবকিছুতে পারফেক্ট খোজা বোকামি।চুল ছোট হলেও মনটা বেশ বড়।
-কিন্তু আমি যে অল্পতেই রেগে যাই।
-রাগ ভাঙাতে আমার বেশ লাগে।
-আয়ান নামটা আমার বেশ পছন্দের।
-আমাদের ছেলে হলে আয়ান নামটাই রাখবো।
-বিয়ে কি হয়ে গেছে?
-হবে,কেন হবে না?
-সামনের শুক্রবার অনেক দেরি হয়ে গেলো না।
-মাত্র দু দিন।
-কাল, পরশু হলে মন্দ হতো না।
মেয়েটার কথায় আমি কিছু বললাম না।মুচকি হাসলাম।এই মেয়েটা যে আমাকে প্রচন্ড রকমের ভালবাসবে তা না ভাবার কোন অবকাশ নেই।ভয়ে ছিলাম সুপ্তির নাম শুনলে এই মেয়েটা আবার বিয়ে ভেঙে দেয় নাকি।কিন্তু অন্যদের মত ও তা করেনি।বিশ্বাস করে কাছে আসতে চেয়েছে।আর ওর এই বিশ্বাস টিকিয়ে রাখার দায়িত্বটা আমারই।হ্যা আমার ই।
.
(বিশ্বাস)
.
লেখায়, Abdul Ahad
.
(বিশ্বাস)
.
লেখায়, Abdul Ahad

COMMENTS