গল্পের নামঃ # ফাদ . . " স্যার আজকের খবরের কাগজটা পড়েছেন? " . শুক্রবার, ছুটির দিন। অনেকদিন হলো নীলুকে নিয়ে কোথাও যাওয়...
গল্পের নামঃ #ফাদ
.
.
" স্যার আজকের খবরের কাগজটা পড়েছেন? "
.
শুক্রবার, ছুটির দিন। অনেকদিন হলো নীলুকে নিয়ে কোথাও যাওয়া হয় না। গতরাতে পাশে শুয়ে মেয়েটা খুব বায়না করছিলো।
.
-কাল তো অফিস ছুটি, চলো না কালকে একটু কোথাও ঘুরে আসি।
-ঘুরতে যাবে? তা বেশ। তো বলো কোথায় যেতে চাও?
.
আমার কথা শুনেই বেশ খুশি খুশি হয়ে বলল,
.
-শিরিনকে খুব দেখতে ইচ্ছা করছে। আর এই সুযোগে না হয় ঘুরে আসলাম কী বলো?
.
-হুমমম তা ঠিকই বলেছো। তাইলে কালকে সকাল সকালই কিন্তু বেরিয়ে পড়বো।
.
-আচ্ছা ঠিক আছে।
.
নীলুকে কথাও দিয়েছিলাম কালকে শিরিন মানে আমার শালিকার বাসায় যাবো। নীলু সকাল থেকেই পরিপাটি হচ্ছে, ঘুম থেকে উঠেই দেখি রান্না বান্নার কাজ শেষ।
.
হঠাতই কলিং বেলটা বেজে উঠলো। আমি ড্রয়িং রুমে বসে বসে বই পড়ছি, একটু আগেই পত্রিকাওয়ালা পত্রিকা দিয়ে গেছে। এখনো খুলে দেখা হয়নি। নীলু কড়া করে বলে দিয়েছে ভুলেও যেন এখন খবরের কাগজ না খুলি।
.
-এই দেখো তো কে আসলো?
.
বেডরুম থেকে চিৎকার করে বলল নীলু। এত সকালে আবার কে আসলো? বেশ বিরক্তি নিয়েই বইটা রেখে দড়জার দিকে এগিয়ে গেলাম। দড়জা খুলতেই জুনিয়র অফিসার মোহাম্মাদ সেহ্জাদ বলে উঠলো,,,
.
-স্যার আজকের খবরের কাগজটা পড়েছেন?
.
সেহ্জাদের কথা শুনে বেশ অবাক হলাম। কিছু তো একটা হয়েছে, কেউ তো আর শুধু খবরের কাগজ পড়েছি কিনা এটা জানার জন্য সকাল সকাল দড়জায় নক করবে না।
.
-না আসলে পড়া হয়নি, কেন কী হয়েছে?
.
.
" স্যার আজকের খবরের কাগজটা পড়েছেন? "
.
শুক্রবার, ছুটির দিন। অনেকদিন হলো নীলুকে নিয়ে কোথাও যাওয়া হয় না। গতরাতে পাশে শুয়ে মেয়েটা খুব বায়না করছিলো।
.
-কাল তো অফিস ছুটি, চলো না কালকে একটু কোথাও ঘুরে আসি।
-ঘুরতে যাবে? তা বেশ। তো বলো কোথায় যেতে চাও?
.
আমার কথা শুনেই বেশ খুশি খুশি হয়ে বলল,
.
-শিরিনকে খুব দেখতে ইচ্ছা করছে। আর এই সুযোগে না হয় ঘুরে আসলাম কী বলো?
.
-হুমমম তা ঠিকই বলেছো। তাইলে কালকে সকাল সকালই কিন্তু বেরিয়ে পড়বো।
.
-আচ্ছা ঠিক আছে।
.
নীলুকে কথাও দিয়েছিলাম কালকে শিরিন মানে আমার শালিকার বাসায় যাবো। নীলু সকাল থেকেই পরিপাটি হচ্ছে, ঘুম থেকে উঠেই দেখি রান্না বান্নার কাজ শেষ।
.
হঠাতই কলিং বেলটা বেজে উঠলো। আমি ড্রয়িং রুমে বসে বসে বই পড়ছি, একটু আগেই পত্রিকাওয়ালা পত্রিকা দিয়ে গেছে। এখনো খুলে দেখা হয়নি। নীলু কড়া করে বলে দিয়েছে ভুলেও যেন এখন খবরের কাগজ না খুলি।
.
-এই দেখো তো কে আসলো?
.
বেডরুম থেকে চিৎকার করে বলল নীলু। এত সকালে আবার কে আসলো? বেশ বিরক্তি নিয়েই বইটা রেখে দড়জার দিকে এগিয়ে গেলাম। দড়জা খুলতেই জুনিয়র অফিসার মোহাম্মাদ সেহ্জাদ বলে উঠলো,,,
.
-স্যার আজকের খবরের কাগজটা পড়েছেন?
.
সেহ্জাদের কথা শুনে বেশ অবাক হলাম। কিছু তো একটা হয়েছে, কেউ তো আর শুধু খবরের কাগজ পড়েছি কিনা এটা জানার জন্য সকাল সকাল দড়জায় নক করবে না।
.
-না আসলে পড়া হয়নি, কেন কী হয়েছে?
.
আমার প্রশ্ন শুনেই সেহ্জাদের মুখটা মলিন হয়ে গেল। উচু মাথা নিচু করে নিলেন।সেহ্জাদের এমন আচরণে আবার প্রশ্ন করলাম,
.
-সিরিয়াস কিছু?
.
-আপনাকে দেখে মনে হচ্ছে আপনি কোথাও বের হবেন।
.
-হ্যাঁ ঐ তোমার ভাবী অনেক দিন থেকেই বলছে বোনের বাসায় যাবে, তাই আরকি।
.
-ফিরবেন কবে?
.
-আজ রাতেই।
.
-বাসায় এসেই সরাসরি হেডকোয়াটারে চলে আসবেন। আমি তাহলে যাই স্যার।
.
. কথাটা বলেই একটা স্যালুট দিলো
.
-আরে ভিতরে এসো, একসাথে বের হবো। আর দেখো তো মনে হচ্ছে না সকালের খাওয়া হইছে। ভালোই হলো একসাথে ব্রেকফাস্ট টাও সেরে নেওয়া যাবে।
.
- কিন্তু স্যার।
.
-আহা ছুটির দিন তাড়া কিসের এতো? চলো তো তোমার ভাবী তোমাকে দেখলে বেশ খুশিই হবে।
.
-কে এসেছে?
.
এর মধ্যেই নীলু চলে আসলো।আর আমাদের কাছে আসতেই বলল,
.
-আরে সেহ্জাদ ভাই আপনি? কখন আসলেন?
.
-এই তো ভাবী মাত্রই।
.
-যাক ভালোই হলো আসেন একসাথে খেয়ে তারপর বের হবো। আর তুমি, সেহ্জাদ ভাইকে নিয়ে ডাইনিং টেবিলে বসো আমি খাবার আনছি।
.
প্রথমে সেহ্জাদকে আর পরে আমাকে কথাটা বলেই নীলু কিচেনের দিকে হাটা শুরু করলো।
.
-ও হ্যাঁ, তুমি কি যেন বললে তখন?
.
-বাদ দেন স্যার, পরে না হয়...
.
-আহা বলো না কি হইছে, দেখো তোমার ভাবী আগেই বলে দিয়েছে যেন পেপারটা না খুলি। এই জন্য খুলছি না আর ভূনিতা করো না তো তারাতারি বলে ফেল।
.
-সামিউল স্যার গতরাতে আত্মাহত্যা করেছে।
.
কথাটা শুনেই বুকটা মোচড় দিয়ে উঠলো। যেন আমি কিছুই শুনিনি। আর শুনলেই তা ভুল। হাসিখুশি মনটা আমার নিমিষেই মলিন হয়ে উঠলো।
.
-কী বলছো এইসব? পাগল হয়ে গেছো নাকি? সকাল সকাল আবলতাবল কথাবার্তা বলার জন্য এসেছো হ্যাঁ?
.
-কাল রাত ২.৪৬ মিনিটে স্যারের মৃত দেহ উদ্ধার করা হয়, রিপোর্ট বলছে অতিরিক্ত মদ্যপান আর ঘুমে ঔষুধের প্রভাবেই মৃত্যু হয়েছে।
.
বুকটা হু হু করে উঠলো। সামনে রাখা খবরের কাগজটা খুললাম প্রথম পাতাতেই বড় বড় করে ছাপা হয়েছে সামিউলের মৃত্যুর খবরটা। খবরের কাগজটা হাত থেকে পড়ে গেল। না না এ কি করে সম্ভব? সামিউলের মৃত্যু! সেটাও আবার মদ্য পানের জন্য?
.
কাঁধে কারও একটা হাতের ছোয়া পেয়েই চমকে উঠলাম,তাকানোর শক্তি নেই।
.
-আমি সকালেই পড়েছি, তাই তোমাকে পড়তে নিষেধ করেছি। কারণ আমি জানি তুমি এটা নিতে পারবে না।
.
কাঁধে হাত বুলাতে বুলাতে নীলু কথাগুলো বলেই আমার পাশে এসে বসলো। অশ্রুভরা নয়নে একবার নীলুর দিকে তাকালাম।
.
-সামিউলের লাশ এখন কোথায়?
.
-ঢাকা মেডিকেলের মর্গে, ভোর রাতে পোষ্টম্যাডাম করার পর সেখানেই রাখা হয়েছে।
.
-স্যার কোথায় যাচ্ছেন?
.
-তুমি কী যাবে আমার সাথে?
.
প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে পাল্টা প্রশ্ন করলাম।
.
পাগলের মত ড্রাইভ করছি। সামিউলের সাথে কাটানো দিনের কথাগুলো মনে পড়ে যাচ্ছে।
.
-আরে নে না একটু খেলে কিছু হয় না।
.
-না রে, তোরাই খা, মা বাবা জানলে খুব রাগ করবে।
.
সামিউলকে সবাই হালকা ড্রিংকস্ করার জন্য হাজার জোরাজুরি করার পর উত্তরটা দিয়েছিল।
.
ঢাকা মেডিকেলের সামনে এসেই গাড়িটা ব্রেক করলাম।
.
-কত নাম্বার?
.
-৩৪
.
সেহ্জাদের কাছ থেকে উত্তরটা পেয়েই পাগলের মত দৌড়াতে লাগলাম। কোন দিকে নজর নেই, উদ্দেশ্য শুধু মর্গের ঘরটার দিকে।
.
মর্গের দড়জার সামনে দুইজন হাবিলদার দাড়িয়ে আছে। আমাকে দেখেই যেন চমকে গেল। আটকা আটকা কণ্ঠে বলল...
.
-স্যার আপনি এখানে কেন?
.
-দড়জা খোলো।
.
-শান্ত হোন স্যার।
.
-দড়জা খোলো বলছি।
.
বেশ চিৎকার করেই কথা বলে ফেলেছি হয়তো। কথার বেশ কয়েকবার প্রতি্ধ্বনি শুনতে পেলাম নিজেও।
.
কাঁপাকাঁপা পায়ে এগিয়ে যাচ্ছি ৩৪ নাম্বার ড্রোয়ারের দিকে। হাতলটা ধরে টান দেওয়ার মত সাহস হচ্ছে না। অন্যপাশ তাকিয়ে ড্রয়ারটা খুলে ফেললাম। ঠান্ডা একটা বাতাস এসে লাগলো শরীরে। ড্রয়ারের মধ্যে তাকাতেই দেখলাম সামিউলের নিরব দেহটা পরে আছে। নেই কোন চঞ্চলতা একেবারে স্তীর। কিন্তু ওর জন্মতো এমন ভাবে শুয়ে থাকার জন্য হয়নি, বরং যুদ্ধক্ষেত্রকে কাপিয়ে রাখার জন্য হয়েছিল।
.
বুকটা ফেটে খা খা করছে। দমটা বন্ধ হয়ে আসছে। চোখের সামনে ভাসছে সামিউলের হাসিমুখটা।
.
.
হঠাতই চোখ পড়লো সামিউলের গলায় একটা আচরের দাগ....।
.
.
------চলবে....
আমার প্রশ্ন শুনেই সেহ্জাদের মুখটা মলিন হয়ে গেল। উচু মাথা নিচু করে নিলেন।সেহ্জাদের এমন আচরণে আবার প্রশ্ন করলাম,
.
-সিরিয়াস কিছু?
.
-আপনাকে দেখে মনে হচ্ছে আপনি কোথাও বের হবেন।
.
-হ্যাঁ ঐ তোমার ভাবী অনেক দিন থেকেই বলছে বোনের বাসায় যাবে, তাই আরকি।
.
-ফিরবেন কবে?
.
-আজ রাতেই।
.
-বাসায় এসেই সরাসরি হেডকোয়াটারে চলে আসবেন। আমি তাহলে যাই স্যার।
.
. কথাটা বলেই একটা স্যালুট দিলো
.
-আরে ভিতরে এসো, একসাথে বের হবো। আর দেখো তো মনে হচ্ছে না সকালের খাওয়া হইছে। ভালোই হলো একসাথে ব্রেকফাস্ট টাও সেরে নেওয়া যাবে।
.
- কিন্তু স্যার।
.
-আহা ছুটির দিন তাড়া কিসের এতো? চলো তো তোমার ভাবী তোমাকে দেখলে বেশ খুশিই হবে।
.
-কে এসেছে?
.
এর মধ্যেই নীলু চলে আসলো।আর আমাদের কাছে আসতেই বলল,
.
-আরে সেহ্জাদ ভাই আপনি? কখন আসলেন?
.
-এই তো ভাবী মাত্রই।
.
-যাক ভালোই হলো আসেন একসাথে খেয়ে তারপর বের হবো। আর তুমি, সেহ্জাদ ভাইকে নিয়ে ডাইনিং টেবিলে বসো আমি খাবার আনছি।
.
প্রথমে সেহ্জাদকে আর পরে আমাকে কথাটা বলেই নীলু কিচেনের দিকে হাটা শুরু করলো।
.
-ও হ্যাঁ, তুমি কি যেন বললে তখন?
.
-বাদ দেন স্যার, পরে না হয়...
.
-আহা বলো না কি হইছে, দেখো তোমার ভাবী আগেই বলে দিয়েছে যেন পেপারটা না খুলি। এই জন্য খুলছি না আর ভূনিতা করো না তো তারাতারি বলে ফেল।
.
-সামিউল স্যার গতরাতে আত্মাহত্যা করেছে।
.
কথাটা শুনেই বুকটা মোচড় দিয়ে উঠলো। যেন আমি কিছুই শুনিনি। আর শুনলেই তা ভুল। হাসিখুশি মনটা আমার নিমিষেই মলিন হয়ে উঠলো।
.
-কী বলছো এইসব? পাগল হয়ে গেছো নাকি? সকাল সকাল আবলতাবল কথাবার্তা বলার জন্য এসেছো হ্যাঁ?
.
-কাল রাত ২.৪৬ মিনিটে স্যারের মৃত দেহ উদ্ধার করা হয়, রিপোর্ট বলছে অতিরিক্ত মদ্যপান আর ঘুমে ঔষুধের প্রভাবেই মৃত্যু হয়েছে।
.
বুকটা হু হু করে উঠলো। সামনে রাখা খবরের কাগজটা খুললাম প্রথম পাতাতেই বড় বড় করে ছাপা হয়েছে সামিউলের মৃত্যুর খবরটা। খবরের কাগজটা হাত থেকে পড়ে গেল। না না এ কি করে সম্ভব? সামিউলের মৃত্যু! সেটাও আবার মদ্য পানের জন্য?
.
কাঁধে কারও একটা হাতের ছোয়া পেয়েই চমকে উঠলাম,তাকানোর শক্তি নেই।
.
-আমি সকালেই পড়েছি, তাই তোমাকে পড়তে নিষেধ করেছি। কারণ আমি জানি তুমি এটা নিতে পারবে না।
.
কাঁধে হাত বুলাতে বুলাতে নীলু কথাগুলো বলেই আমার পাশে এসে বসলো। অশ্রুভরা নয়নে একবার নীলুর দিকে তাকালাম।
.
-সামিউলের লাশ এখন কোথায়?
.
-ঢাকা মেডিকেলের মর্গে, ভোর রাতে পোষ্টম্যাডাম করার পর সেখানেই রাখা হয়েছে।
.
-স্যার কোথায় যাচ্ছেন?
.
-তুমি কী যাবে আমার সাথে?
.
প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে পাল্টা প্রশ্ন করলাম।
.
পাগলের মত ড্রাইভ করছি। সামিউলের সাথে কাটানো দিনের কথাগুলো মনে পড়ে যাচ্ছে।
.
-আরে নে না একটু খেলে কিছু হয় না।
.
-না রে, তোরাই খা, মা বাবা জানলে খুব রাগ করবে।
.
সামিউলকে সবাই হালকা ড্রিংকস্ করার জন্য হাজার জোরাজুরি করার পর উত্তরটা দিয়েছিল।
.
ঢাকা মেডিকেলের সামনে এসেই গাড়িটা ব্রেক করলাম।
.
-কত নাম্বার?
.
-৩৪
.
সেহ্জাদের কাছ থেকে উত্তরটা পেয়েই পাগলের মত দৌড়াতে লাগলাম। কোন দিকে নজর নেই, উদ্দেশ্য শুধু মর্গের ঘরটার দিকে।
.
মর্গের দড়জার সামনে দুইজন হাবিলদার দাড়িয়ে আছে। আমাকে দেখেই যেন চমকে গেল। আটকা আটকা কণ্ঠে বলল...
.
-স্যার আপনি এখানে কেন?
.
-দড়জা খোলো।
.
-শান্ত হোন স্যার।
.
-দড়জা খোলো বলছি।
.
বেশ চিৎকার করেই কথা বলে ফেলেছি হয়তো। কথার বেশ কয়েকবার প্রতি্ধ্বনি শুনতে পেলাম নিজেও।
.
কাঁপাকাঁপা পায়ে এগিয়ে যাচ্ছি ৩৪ নাম্বার ড্রোয়ারের দিকে। হাতলটা ধরে টান দেওয়ার মত সাহস হচ্ছে না। অন্যপাশ তাকিয়ে ড্রয়ারটা খুলে ফেললাম। ঠান্ডা একটা বাতাস এসে লাগলো শরীরে। ড্রয়ারের মধ্যে তাকাতেই দেখলাম সামিউলের নিরব দেহটা পরে আছে। নেই কোন চঞ্চলতা একেবারে স্তীর। কিন্তু ওর জন্মতো এমন ভাবে শুয়ে থাকার জন্য হয়নি, বরং যুদ্ধক্ষেত্রকে কাপিয়ে রাখার জন্য হয়েছিল।
.
বুকটা ফেটে খা খা করছে। দমটা বন্ধ হয়ে আসছে। চোখের সামনে ভাসছে সামিউলের হাসিমুখটা।
.
.
হঠাতই চোখ পড়লো সামিউলের গলায় একটা আচরের দাগ....।
.
.
------চলবে....

COMMENTS